ঘাতকের দিনলিপি
Ghatoker Dinlipi

440 টাকা

শিরোনাম
ঘাতকের দিনলিপি
লেখক
রমেন বিশ্বাস
প্রকাশনী
সুচয়নী পাবলিশার্স
সংস্করণ
১ম



Author রমেন বিশ্বাস / Ramen Biswas
Publisher সুচয়নী পাবলিশার্স / Shuchayani Paublishers
Category মুক্তিযুদ্ধ / Liberation War
Related Categories ইতিহাস,
Published 2020
Quotatiom of Seller ১৯৭১-এর ঘটনাক্রম মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস গবেষণার মূল উপাদান। এই ঘটনাক্রমে যেমন আছে বীরত্বগাঁথা, আত্মোৎসর্গের অগণিত উদাহরণ, তেমনি আছে নির্মমতা, দালালির নজিরবিহীন দৃষ্টান্ত। ইতিহাসের এই খলনায়কদের আড়ালে রেখে কখনো মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, বীরত্ব ও গৌরবগাঁথা শঙ্কামুক্ত থাকতে পারে না, ইতিহাসও থাকে না অবিকৃত। ১৯৯২ সালের ১৯ জানুয়ারি শহীদ জননী জাহানারা ইমামের নেতৃত্বে গঠিত হয় ‘একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটি’। এই কমিটি একই বছরের ২৬ শে মার্চ সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ‘গণ আদালত’ প্রতিষ্ঠা করে গোলাম আযমের প্রতীকী বিচার করে তার মৃত্যুদণ্ডের রায় দেয়। ২০১০ সালে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল গঠন এবং ২০১৩ সালের ডিসেম্বরে আবদুল কাদের মোল্লার ফাঁসিসহ আরও অনেক যুদ্ধাপরাধীর বিচার ১৯৯২ সালের গণ আদালতেরই ধারাবাহিকতা। আর এই বিচার প্রক্রিয়ায় গণবিরোধী ঘাতক-দালালদের অপরাধ শনাক্তে ১৯৭১- এর ঘটনাক্রম আরও গুরুত্ববহ হয়ে উঠে। ১৯৯২-এর গণ আদালতের পক্ষে জনমত তৈরির ক্ষেত্রে সে সময়ের জনপ্রিয় দৈনিক আজকের কাগজ “ঘাতকের দিনলিপি” ১৯৭১-এর ২৫শে মার্চ থেকে ১৬ই ডিসেম্বর পর্যন্ত ঘটনাক্রম দিনলিপি হিসাবে প্রকাশ করে এক ঐতিহাসিক দায়িত্ব পালন করে। রচনাটির বস্তুনিষ্ঠতা নিশ্চিত হয় একাত্তরে প্রকাশিত দৈনিক পত্রিকার খবর তথ্যসূত্র হিসাবে ব্যবহারের মাধ্যমে। ১৯৯৩ সালে “ঘাতকের দিনলিপি” পুস্তকাকারে প্রকাশ এই ধারাবাহিকতারই অংশ। সময় নদীর স্রোতের মতো বহমান। সেই প্রবহমানতায় মানুষ অনেক সময়ই ভুলে যায় পেছনের পথরেখা। আজও তাই ৭১-এর ঘাতক দালাল এবং তাদের সহযোগী ও অনুসারীরা দাপিয়ে বেড়ায়, এমনকি ক্ষমতার অংশ হয়ে উঠে। স্মৃতি সংরক্ষণে পুস্তকের ভুমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। “ঘাতকের দিনলিপি” সেই অর্থে আজও সমান গুরুত্ব বহন করে এবং ভবিষ্যতেও করে যাবে।
Edition ১ম
ISBN ৯৭৮-৯৮৪-৯৩৩৭৩-৭-৯
No of Pages 336
Paper Quality অফসেট
Cover Design মোস্তাফিজ কারিগর
Language Bangla

২য় প্রকাশ

রমেন বিশ্বাস
পেশায় সাংবাদিক ও গবেষক।
জন্ম মানিকগঞ্জের দৌলতপুর উপজেলার প্রত্যন্ত গ্রাম বিষ্ণুপুরে। বেড়ে উঠেছেন মানিকগঞ্জ জেলারই ঘিওর উপজেলা শহরে। পেশাগত দায়িত্ব পালন করেছেন দৈনিক আজকের কাগজ, দৈনিক ভোরের কাগজ, দৈনিক জনকণ্ঠ, দেশ টেলিভিশনসহ বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে। গবেষণা ক্ষেত্রে আগ্রহের বিষয় গ্রামীণ জনপদ, গ্রামগঞ্জের মানুষ ও তাদের জীবনযাপন, লোকজ উপাদান।

More Details
ঘাতকের দিন লিপি [NOVANEWS24.COM: Oct 06, 2020]
“ঘাতকের দিনলিপি” ১৯৭১-এর ২৫শে মার্চ থেকে ১৬ই ডিসেম্বর পর্যন্ত ঘটনাক্রম দিনলিপি হিসাবে প্রকাশ করে এক ঐতিহাসিক দায়িত্ব পালন করে। রচনাটির বস্তুনিষ্ঠতা নিশ্চিত হয় একাত্তরে প্রকাশিত দৈনিক পত্রিকার খবর তথ্যসূত্র হিসাবে ব্যবহারের মাধ্যমে। ১৯৯৩ সালে “ঘাতকের দিনলিপি” পুস্তকাকারে প্রকাশ এই ধারাবাহিকতারই অংশ।

সময় নদীর স্রোতের মতো বহমান। সেই প্রবহমানতায় মানুষ অনেক সময়ই ভুলে যায় পেছনের পথরেখা। আজও তাই ৭১-এর ঘাতক দালাল এবং তাদের সহযোগী ও অনুসারীরা দাপিয়ে বেড়ায়, এমনকি ক্ষমতার অংশ হয়ে উঠে। স্মৃতি সংরক্ষণে পুস্তকের ভুমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। “ঘাতকের দিনলিপি” সেই অর্থে আজও সমান গুরুত্ব বহন করে এবং ভবিষ্যতেও করে যাবে।
রমেন বিশ্বাসের 'ঘাতকের দিনলিপি' [PARIBARTAN.COM: Oct 06, 2020]
সাংবাদিক ও গবেষক রমেন বিশ্বাসের মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক বই 'ঘাতকের দিনলিপি' সম্প্রতি প্রকাশ পেয়েছে।



১৯৭১-এর ঘটনাক্রম মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস গবেষণার মূল উপাদান। এই ঘটনাক্রমে যেমন আছে বীরত্বগাঁথা, আত্মোৎসর্গের অগণিত উদাহরণ, তেমনি আছে নির্মমতা, দালালির নজিরবিহীন দৃষ্টান্ত। ইতিহাসের এই খলনায়কদের আড়ালে রেখে কখনো মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, বীরত্ব ও গৌরবগাঁথা শঙ্কামুক্ত থাকতে পারে না, ইতিহাসও থাকে না অবিকৃত।



১৯৯২ সালের ১৯ জানুয়ারি শহীদ জননী জাহানারা ইমামের নেতৃত্বে গঠিত হয় ‘একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটি’। এই কমিটি একই বছরের ২৬ শে মার্চ সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ‘গণআদালত’ প্রতিষ্ঠা করে গোলাম আযমের প্রতীকী বিচার করে তার মৃত্যুদণ্ডের রায় দেয়। ২০১০ সালে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল গঠন এবং ২০১৩ সালের ডিসেম্বরে আবদুল কাদের মোল্লার ফাঁসিসহ আরও অনেক যুদ্ধাপরাধীর বিচার ১৯৯২ সালের গণআদালতেরই ধারাবাহিকতা। আর এই বিচার প্রক্রিয়ায় গণবিরোধী ঘাতক-দালালদের অপরাধ শনাক্তে ১৯৭১- এর ঘটনাক্রম আরও গুরুত্ববহ হয়ে উঠে।

১৯৯২-এর গণআদালতের পক্ষে জনমত তৈরির ক্ষেত্রে সে সময়ের জনপ্রিয় দৈনিক আজকের কাগজ “ঘাতকের দিনলিপি” ১৯৭১-এর ২৫শে মার্চ থেকে ১৬ই ডিসেম্বর পর্যন্ত ঘটনাক্রম দিনলিপি হিসাবে প্রকাশ করে এক ঐতিহাসিক দায়িত্ব পালন করে। রচনাটির বস্তুনিষ্ঠতা নিশ্চিত হয় একাত্তরে প্রকাশিত দৈনিক পত্রিকার খবর তথ্যসূত্র হিসাবে ব্যবহারের মাধ্যমে। ১৯৯৩ সালে “ঘাতকের দিনলিপি” পুস্তকাকারে প্রকাশ এই ধারাবাহিকতারই অংশ।



সময় নদীর স্রোতের মতো বহমান। সেই প্রবহমানতায় মানুষ অনেক সময়ই ভুলে যায় পেছনের পথরেখা। আজও তাই ৭১-এর ঘাতক দালাল এবং তাদের সহযোগী ও অনুসারীরা দাপিয়ে বেড়ায়, এমনকি ক্ষমতার অংশ হয়ে উঠে। স্মৃতি সংরক্ষণে পুস্তকের ভুমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।



“ঘাতকের দিনলিপি” সেই অর্থে আজও সমান গুরুত্ব বহন করে এবং ভবিষ্যতেও করে যাবে।



বইটির প্রকাশক- ফজলুর রহমান, সুচয়নী পাবলিশার্স, ৩৮/২ক, বাংলাবাজার, ঢাকা।



বইটি রকমারি অনলাইনে ছাড়াও শাহবাগ ও কাটাবনের বিভিন্ন বইয়ের দোকানে পাওয়া যাচ্ছে। বইটির মূল্য: ৫৫০টাকা।



লেখক রমেন বিশ্বাসের জন্ম মানিকগঞ্জের দৌলতপুর উপজেলার প্রত্যন্ত গ্রাম বিষ্ণুপুরে। বেড়ে উঠেছেন মানিকগঞ্জ জেলারই ঘিওর উপজেলা শহরে। পেশাগত দায়িত্ব পালন করেছেন দৈনিক আজকের কাগজ, দৈনিক ভোরের কাগজ, দৈনিক জনকণ্ঠ, দেশ টেলিভিশনসহ বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে। গবেষণা ক্ষেত্রে আগ্রহের বিষয় গ্রামীণ জনপদ, গ্রামগঞ্জের মানুষ ও তাদের জীবনযাপন, লোকজ উপাদান।